ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. মনজুর আহমদ বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকলে পরিবহন ব্যবস্থার ওপর চাপ বাড়ে এবং জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি পায়। তাই আপৎকালীন পরিস্থিতিতে বিকল্প হিসেবে অনলাইন ক্লাস কার্যকর হতে পারে। তিনি আরও পরামর্শ দেন, সম্পূর্ণ অনলাইন ব্যবস্থার পরিবর্তে সময়সূচি পরিবর্তন বা অনলাইন-অফলাইন সমন্বিত (হাইব্রিড) পদ্ধতি গ্রহণ করলে শিক্ষার্থীদের ক্ষতি কমানো সম্ভব।
অভিভাবকরাও এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছে। অভিভাবক ঐক্য ফোরামের সভাপতি মো. জিয়াউল কবির দুলু বলেছেন, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে অনলাইনে শ্রেণি কার্যক্রম চালু রাখা সময়োপযোগী এবং শিক্ষা কার্যক্রমকে সচল রাখার জন্য বাস্তবসম্মত উদ্যোগ হবে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, দ্রুত পরিকল্পিত ও সমন্বিত পদক্ষেপ না নিলে জ্বালানি সংকট আরও তীব্র হতে পারে এবং স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।