শনিবার (১৪ মার্চ) ভোররাত থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) উচ্চপদস্থ গোয়েন্দা ইউনিট ‘ইউনিট ৮২০০’ এবং সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ‘আমান’-কে মূল লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
ইরানি সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, দখলকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে (ইসরায়েল) অবস্থিত বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ড্রোন আঘাত হেনেছে। এর মধ্যে রয়েছে- ইউনিট ৮২০০ ইসরায়েলের প্রধান সাইবার অপারেশন ও তথ্য বিশ্লেষণ কেন্দ্র, আমান ইসরায়েলি সামরিক গোয়েন্দা অধিদপ্তরের সদর দপ্তর, ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর তথ্য প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রসমূহ, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানের একাধিক জমায়েত স্থল।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ও শীর্ষ কমান্ডারদের হত্যাকাণ্ডের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিভিন্ন সামরিক ও বেসামরিক অবস্থানে বড় ধরনের হামলা শুরু করে। ওই হামলায় ইরানে ব্যাপক অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি ঘটে। এরই পাল্টা জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি এবং ইসরায়েলি ভূখণ্ড লক্ষ্য করে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে।
ইরানি সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে সাফ জানানো হয়েছে, "তাদের বীর নেতা এবং দেশপ্রেমিক কমান্ডারদের রক্তের প্রতিশোধ নিতে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এবং দখলদার বাহিনীর দম্ভ চূর্ণ করতে ইরানের সামরিক বাহিনী তাদের সর্বোচ্চ সক্ষমতা ব্যবহার করবে।"
বিশ্লেষকদের মতে, এই ড্রোন হামলার মাধ্যমে দুই পক্ষের সংঘাত এক নতুন ও চরম বিপজ্জনক মোড় নিল, যা সমগ্র অঞ্চলের স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছে।