মঙ্গলবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সাম্প্রতিক অভিযানে লারিজানিকে লক্ষ্য করা হয়েছে। ইরান এই বিষয়ে এখনও কোনো মন্তব্য করেনি।
এর আগে গত শুক্রবার তেহরানে বার্ষিক কুদস দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক বিশাল সমাবেশে অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রকাশ্যে অংশ নেন লারিজানি। সেখানে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলাকে “হতাশা ও ভয়ের বহিঃপ্রকাশ” হিসেবে বর্ণনা করেন।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, “এই হামলাগুলো ভয়ের কারণে, হতাশার কারণে। যে শক্তিশালী, সে কখনো বিক্ষোভ সমাবেশে বোমা হামলা চালায় না। এতে বোঝা যাচ্ছে তারা ব্যর্থ হয়েছে।”
এর আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকেও সতর্ক করে পরোক্ষ হুমকি দেন। লারিজানি বলেন, “খালি হুমকির ভয় ইরান পায় না, বরং ট্রাম্পকে সতর্ক থাকতে হবে যাতে তিনি নিজেই নির্মূল না হয়ে যান।”
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে যৌথ হামলা চালায়। ওই সময় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়। এরপর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সংঘাত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
জবাবে ইরান ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে ইসরায়েলসহ অঞ্চলটির বিভিন্ন স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম জানিয়েছে।