তিনি বলেন, “আমেরিকাকে বাঁচানোর চূড়ান্ত সময় ঘনিয়ে আসছে” এবং “এই জলাভূমি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে উদ্ধারের খুব বেশি সময় বাকি নেই।”
ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, মঙ্গলবার ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতে দু’টি গ্যাস স্থাপনা এবং একটি পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎ অবকাঠামোতে হামলার হুমকি থেকে সরে আসার ঘোষণা দিয়েছিলেন।
দেশটির আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফারস নিউজ জানিয়েছে, ইহুদিবাদী ও মার্কিন শত্রুদের হামলার অংশ হিসেবে ইসফাহানের কাভেহ স্ট্রিটে অবস্থিত গ্যাস প্রশাসন ভবন এবং গ্যাস প্রেশার রেগুলেশন স্টেশন লক্ষ্য করা হয়েছে। এসব স্থাপনা আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এছাড়া, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খোররামশাহরের বিদ্যুৎ কেন্দ্রের গ্যাস পাইপলাইনেও হামলা হয়েছে। ওই শহরের গভর্নর জানান, গ্যাস পাইপলাইন প্রসেসিং স্টেশনের বাইরের এলাকায় একটি প্রজেক্টাইল আঘাত হেনেছে, তবে অবকাঠামো স্বাভাবিকভাবে সচল রয়েছে এবং গ্যাস সরবরাহে কোনো বিঘ্ন ঘটেনি।
সোমবার এএফপিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে চুক্তির আলোচনা খুব ভালোভাবেই চলছে। এর আগে তিনি বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে হামলার বিষয়ে পাঁচ দিনের বিরতির ঘোষণা দিয়েছিলেন।
কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় না খুললে ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছিল তেহরান। তবে ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে ট্রাম্প আকস্মিকভাবে অবস্থান পরিবর্তন করেন। তেহরান জানিয়েছে, বর্তমানে যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনও আলোচনা চলছে না।
সূত্র: এএফপি