১৯৪৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ ১২টি দেশ নিয়ে যাত্রা শুরু করে ন্যাটো। জোটটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নীতি হলো ‘আর্টিকেল ৫’, যেখানে বলা হয়েছে-কোনো সদস্য দেশের ওপর হামলা হলে তা সব সদস্য দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচিত হবে এবং সবাই মিলে প্রতিরক্ষা করবে।
একই অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সাবেক ব্রিটিশ চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ নিক কার্টার। তিনি বলেন, ন্যাটো এমন একটি সামরিক জোট নয় যা কোনো সদস্য দেশের ‘পছন্দের যুদ্ধ’-এ স্বয়ংক্রিয়ভাবে অন্য সদস্যদের অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক করে। তার ভাষায়, ‘ন্যাটো এমন জোট নয় যেখানে একটি দেশ নিজের সিদ্ধান্তে যুদ্ধে যাবে এবং তারপর অন্যদের বাধ্য করবে সেই যুদ্ধে অনুসরণ করতে।’
জেনারেল কার্টারের এই মন্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেন ম্যাকফ্যাডেন। তিনি বলেন, বর্তমান সংঘাতকে ন্যাটোর সামরিক অভিযান হিসেবে দেখা ঠিক নয়; বরং এটি ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পদক্ষেপ’। তবে একই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, যুক্তরাজ্য ন্যাটোর প্রতি তার অঙ্গীকারে দৃঢ় রয়েছে এবং জোটটির প্রতি লন্ডনের সমর্থন অব্যাহত থাকবে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই মন্তব্য ইঙ্গিত করছে যে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে পশ্চিমা সামরিক জোট হিসেবে ন্যাটো সরাসরি জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা আপাতত কম। ফলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পদক্ষেপকে অনেক দেশ বিচ্ছিন্ন সামরিক উদ্যোগ হিসেবে দেখছে, ন্যাটোর সম্মিলিত অভিযানের অংশ হিসেবে নয়।