মঙ্গলবার ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে যুক্তরাষ্ট্র একসঙ্গে সামরিক ও কূটনৈতিক পথ নিতে পারে। তবে হোয়াইট হাউসের অভ্যন্তরে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে যে প্রশাসনের কাছে সংঘাতের পরবর্তী পরিকল্পনা স্পষ্ট নয়। প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেছেন, প্রেসিডেন্ট “চরম আঘাত হানতে প্রস্তুত” থাকলেও, শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পর পরিস্থিতি অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে।
ইরান শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালী খোলার কোনো পরিকল্পনা নেই। হোয়াইট হাউস সম্ভবত সীমিত সেনা মোতায়েনের মাধ্যমে চাপ সৃষ্টি করতে চায়, তবে ৮২ এয়ারবর্ন ডিভিশনের সীমিত সংখ্যা দিয়ে পুরো সংঘাতের গতিপথ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে কিনা তা অনিশ্চিত।
যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ ও সামরিক বিশ্লেষক বলছেন, স্থল সেনা মোতায়েনের মাধ্যমে যুদ্ধকে আরও তীব্র করে দেওয়া হচ্ছে, কিন্তু প্রশাসনের স্পষ্ট কৌশল বা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ছাপ দেখা যাচ্ছে না। এতে সংঘাতের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত এবং হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও বিশ্ববাজারে তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।