আজ সোমবার (২৩ মার্চ) কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এই খবর দিয়েছে।
২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশটির সামরিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তারা একাধিকবার সতর্ক করে বলেছেন, বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যেকোনো হামলার প্রচেষ্টা কঠোর প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়বে।
এই সতর্কবার্তা এসেছে এমন সময়, যখন ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন-তেহরান যদি হরমুজ প্রণালি খুলে না দেয়, তাহলে তিনি ইরানের জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে হামলার কথা বিবেচনা করবেন।
এ অবস্থায় ইরানের ন্যাশনাল ডিফেন্স কাউন্সিল এক বিবৃতিতে জানায়, ‘ইরানের উপকূল বা দ্বীপে যেকোনো আগ্রাসন ঘটলে পারস্য উপসাগরের সব যোগাযোগপথ মাইন দিয়ে অবরুদ্ধ করা হবে।’ একই সঙ্গে তারা উল্লেখ করে, ‘যেসব দেশ যুদ্ধে জড়িত নয়, তাদেরকে উপসাগরীয় এই জলপথ ব্যবহার করতে হলে ইরানের সঙ্গে সমন্বয় করেই চলতে হবে।’
পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে খার্গ দ্বীপ নিয়ে নতুন আলোচনা। ডোনাল্ড ট্রাম্প নাকি খার্গ দ্বীপ দখলের বিষয়টি বিবেচনা করছেন। ইরানের উত্তর উপকূল থেকে প্রায় ২৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই দ্বীপে রয়েছে বিশাল তেল সংরক্ষণাগার ও পাম্পিং সুবিধা, যা দেশটির প্রায় ৯০ শতাংশ তেল রপ্তানির কেন্দ্র।
সূত্র: আল জাজিরা