তিনি সতর্ক করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি এই অঞ্চলে কোনো ভুল করে, তবে ইরানের সামরিক বাহিনী তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবে এবং পুরো অঞ্চলের মানচিত্র পরিবর্তন হতে পারে।
সিমিয়ারি স্পষ্ট করেছেন, আমিরাত ও বাহরাইনের উপকূলে প্রবেশ এখন ইরানের এজেন্ডায় রয়েছে। এই হুঁশিয়ারি এমন সময়ে এসেছে যখন আরব দেশগুলোর সঙ্গে ইরানের সম্পর্ক চরমে। কয়েক দিন আগে আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল্লাহ বিন জায়েদ বলেছেন, তারা কোনো সন্ত্রাসীর ব্ল্যাকমেইল সহ্য করবেন না।
উল্লেখযোগ্য, এই অঞ্চলে ইরান মার্কিন ঘাঁটি ছাড়াও প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল ও গ্যাস অবকাঠামোকে লক্ষ্য করছে। যুদ্ধের শুরু থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাত ৩৩৮টি ব্যালিস্টিক মিসাইল এবং ১,৭৪০টি ড্রোন প্রতিহত করেছে।
এদিকে সৌদি আরব ও আমিরাত এখন মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় বাড়াচ্ছে। রিয়াদ তায়েফের কিং ফাহদ বিমানঘাঁটি মার্কিনদের জন্য খুলেছে, এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত জানিয়েছে, তারা আগামী ৯ মাস পর্যন্ত যুদ্ধ চালিয়ে যেতে প্রস্তুত এবং যুদ্ধ থামানোর জন্য ওয়াশিংটনকে চাপ দেবে না।
উপসাগরীয় অঞ্চলের পরিস্থিতি এখন তপ্ত এবং সম্ভাব্য আঞ্চলিক পরিবর্তনের অপেক্ষায় রয়েছে।