ইইউ ইওএম জানিয়েছে, ইভার্স ইজাবস সেদিন এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করবেন।
২০২৫ সালের শেষ দিক থেকে ইইউ ইওএম বাংলাদেশে অবস্থান করছে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনের দিন ইউরোপীয় ইউনিয়নের সব সদস্য রাষ্ট্রের পাশাপাশি কানাডা, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ড থেকে আসা ২২৩ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক দেশের ৬৪টি প্রশাসনিক জেলায় দায়িত্ব পালন করেন।
এর আগে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচন নিয়ে মিশনটি তাদের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
২০২৬ সালের সংসদ নির্বাচনকে মিশনটি ‘বিশ্বাসযোগ্য ও দক্ষতার সঙ্গে পরিচালিত’ বলে উল্লেখ করে এবং এটিকে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা ও আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠার পথে ‘একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ’ হিসেবে আখ্যায়িত করে।
ইজাবস এর আগে বলেছিলেন, ‘এই ঐতিহাসিক নির্বাচন ছিল প্রকৃত অর্থেই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এবং এতে মৌলিক স্বাধীনতাগুলো মোটামুটি সম্মান করা হয়েছে। নির্বাচনী আইনি কাঠামো আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে ব্যাপকভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল। একই সঙ্গে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন স্বাধীন ও স্বচ্ছভাবে দায়িত্ব পালন করেছে, যা অংশীজনদের আস্থা বজায় রেখেছে এবং নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করেছে।’
বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধি দলের প্রধান মাইকেল মিলার গত সপ্তাহে বলেন, নতুন বাংলাদেশ-ইইউ অংশীদারত্ব ও সহযোগিতা চুক্তির (পিসিএ) আদ্যাক্ষর সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আগামী সপ্তাহে প্রধান পর্যবেক্ষকের পুনরায় বাংলাদেশ সফর এবং বাংলাদেশ-ইইউ কূটনৈতিক পরামর্শ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
মিলার জানান, তিনি মানবাধিকার ও বিচার বিভাগীয় সংস্কারবিষয়ক বিভিন্ন কর্মসূচিতেও অংশ নেবেন। পরে তিনি ঢাকা থেকে ট্রেনে করে শ্রীমঙ্গল সফর করবেন।