জয়শঙ্করের মন্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রস্তাব দিয়েছিলেন, চীন, জাপানসহ অন্যান্য দেশ নৌবাহিনীর ইউনিট মোতায়েন করে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল রক্ষা করা উচিত।
জয়শঙ্কর বলেন, নয়া দিল্লী ও তেহরানের মধ্যে আলোচনার ফলে দুটি ভারতীয় পতাকাবাহী গ্যাসবাহী ট্যাংকার হরমুজ প্রণালি পার হতে সক্ষম হয়েছে। তিনি বলেন, “আমি বর্তমানে তাদের সঙ্গে আলোচনা করছি এবং এটি কিছু ফলও দিয়েছে। এটি এখনো চলমান। যদি এতে ফল পাওয়া যায়, আমি স্বাভাবিকভাবেই আলোচনা চালিয়ে যাব।”
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, ইরানের সঙ্গে ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজগুলোর জন্য কোনো সর্বজনীন ব্যবস্থা নেই এবং প্রতিটি জাহাজের চলাচল আলাদাভাবে বিবেচনা করা হয়। তিনি বলেন, “ভারতের দৃষ্টিকোণ থেকে আলোচনার মাধ্যমে সমন্বয় করে সমাধান পাওয়া উত্তম। অন্যরাও আলোচনায় যুক্ত হতে পারলে, সেটাই বিশ্বের জন্য ভালো।”
হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক সংকীর্ণ পথ, যার মাধ্যমে বৈশ্বিক তেল ও গ্যাসের বড় অংশ পরিবাহিত হয়। গত সপ্তাহে নয়া দিল্লীতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন, দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কারণে ভারতীয় জাহাজগুলো এই পথ ব্যবহার করতে পারবে।
এদিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গত বৃহস্পতিবার ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে ফোনালাপে হরমুজ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন। জয়শঙ্করও ইরানি সমকক্ষ আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে চারবার আলোচনা করেছেন, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর পর তেহরান পাল্টা আক্রমণ শুরু করে।
সূত্র: আরটি