প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার বলেন, “তেহরান কর্তৃক কার্যকরভাবে বন্ধ রাখা এই জলপথ দিয়ে মালয়েশিয়ার জাহাজগুলোকে আগাম ছাড়পত্র দেওয়ায় আমরা ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানকে ধন্যবাদ জানাই।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা নিশ্চিত করছি যে মালয়েশিয়ার তেল ট্যাংকার ও কর্মীরা নিরাপদে যাত্রা করতে পারবে এবং বাড়ি ফেরার পথ অব্যাহত রাখতে পারবে।” কতগুলো জাহাজ প্রণালী পার হয়েছে বা কী শর্তে নিরাপদ যাত্রার ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বিস্তারিত জানাননি।
আনোয়ার উল্লেখ করেন, জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্নের কারণে মালয়েশিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হলেও, রাষ্ট্র মালিকানাধীন পেট্রোনাসের সক্ষমতার কারণে দেশটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক ভালো অবস্থানে রয়েছে।
তিনি বলেন, “খাদ্য সরবরাহ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সারের দাম বাড়বে, তেল ও গ্যাসের ক্ষেত্রে একই পরিস্থিতি। তাই আমরা কিছু পদক্ষেপ নেব। ভর্তুকিযুক্ত পেট্রলের ব্যক্তিগত মাসিক কোটা কমানো এবং সরকারি কর্মীদের ধীরে ধীরে বাড়ি থেকে কাজের ব্যবস্থায় নেওয়া তার অংশ।”
মালয়েশিয়া বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ এলএনজি সরবরাহকারী এবং নিট জ্বালানি রপ্তানিকারক দেশ হলেও, প্রায় ৭০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে আমদানি করে।
সূত্র: রয়টার্স