সোমবার (২২ জুন) দুপুরের দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বোনারপাড়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশন।
এর আগে রোববার (২১ জুন) রাত আনুমানিক সাড়ে ৮ দিকে উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়নের বাটি গ্রামের অভিযুক্ত মুকুল মিয়া ও পলাশের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। প্রায় আড়াই ঘন্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসেন ফায়ার সার্ভিস স্টেশন।
অভিযুক্তদের মধ্যে মুকুল মিয়া ও পলাশ আপন দুই ভাই। তারা ওই গ্রামের জাহিদুল ইসলামের ছেলে।
মুকুল মিয়া বোনারপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আশরাফ খন্দকার (৩২) একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে । আশরাফ একই গ্রামের আকবর খন্দকারের ছেলে।
নিহত সাইফুল্লাহ বারী বোনারপাড়া ইউনিয়ন শিবিরের বর্তমান সভাপতি ছিলেন। তিনি একই ইউনিয়নের শিমুলতলী গোরস্থান পাড়া গ্রামের হাবিবুর রহমান মাওলানা ছেলে ও রংপুর সাতগড়া মডেল কামিল মাদ্রাসার আল কুরআন বিভাগের ছাত্র ছিলেন। ওই একই ঘটনায় বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ইউনিয়নের ফুটানি বাজার এলাকার জামায়েত ইসলামীর কর্মী দুদু মিয়ার ছেল সালাউদ্দিন ।
স্থানীয়রা জানায়, সাইফুল্লাহ বারী খুনের ঘটনায় সন্ধ্যার দিকে একটি প্রতিবাদ মিছিল বের করে স্থানীয় জামায়েত শিবির কর্মীরা। এ সময় মিছিলে নিহতদের ছয়জনরা ও বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অংশ গ্রহণ করেন। মিছিল চলাকালীন অবস্থায় আকস্মিকভাবে অভিযুক্তদের বাড়িতে হামলা ও অগ্নি সংযোগ করেন তারা। এ ঘটনার পর স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে বোনারপাড়া হায়ার সার্ভিসের ২২ সদস্যদের ফায়ার সার্ভিসেরএকটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং আড়াই ঘন্টা ব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসেন.
বোনারপাড়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশন এর কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ২২ সদস্যের একটি টিম দীর্ঘ আড়াই ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। এ ঘটনায় বাড়ি- ঘরের প্রায় সাড়ে ৮ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) স্বপন কুমার সরকার বলেন, খুনের ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে আশরাফ নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিরা পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।