অভিযানকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইনসানা তানজীন ইকো বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামট মোল্লা বাড়ি সড়ক এলাকায় শাহেদের মালিকানাধীন মেসার্স জনতা ল্যাবরেটরিজে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালায়। ১৯৫৬ সালের অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৬(১) ধারা লঙ্ঘনের দায়ে তাকে দণ্ড দেওয়া হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর থেকে কারখানাটি পরিচালিত হয়ে আসছিল। সেখানে শিশুদের জন্য বেবি জেল, প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য বিভিন্ন ধরনের যৌন উত্তেজক ওষুধ এবং বিভিন্ন আয়ুর্বেদিক ওষুধ তৈরি করা হতো।
অভিযানে কারখানা থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ওষুধ জব্দ করা হয়। এ ছাড়া সেখানে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণের অভিযোগও পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় ফরিদপুর জেলা এনসিপির সদস্যসচিব সাইফ হাসান খান বলেন, ‘অন্যায়ের সঙ্গে দলের কোনো আপস নেই। দলের কেউ অন্যায় করে থাকলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে কেন্দ্রকে জানানো হবে।’