বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়নের ক্ষেত্রে ড. আব্দুল মঈন খান প্রস্তাবক এবং গয়েশ্বর চন্দ্র রায় সমর্থক হিসেবে রয়েছেন।
এর আগে দুপুরে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে দলের জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী ও স্থায়ী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। সেখানে মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়নের জন্য প্রস্তাবক হন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান। তার এ প্রস্তাব সমর্থন করেন স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির দলীয় প্রার্থী কে হচ্ছেন, এ নিয়ে গত কয়েক দিন ধরেই আলোচনা ও গুঞ্জন ছিল রাজনৈতিক অঙ্গনে। তবে এক্ষেত্রে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নামই আলোচনায় ছিল জোরেসোরে। যদিও এ বিষয়ে দলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা আসে আজ।
মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হলে তার ঠাকুরগাঁও-১ সংসদীয় আসনটিও শূন্য হয়ে যাবে। পরে সেখানে উপ-নির্বাচন আয়োজন করবে নির্বাচন কমিশন।
গত ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন আওয়ামী লীগের (বর্তমান কার্যক্রম নিষিদ্ধ) মনোনয়নে নির্বাচিত মো. সাহাবুদ্দিন। তখন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন। সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুসারে, আজ ১৩ আগস্ট মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিন। ১৬ আগস্ট যাচাই-বাছাই এবং ১৮ আগস্টের মধ্যে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে হবে। একাধিক প্রার্থী বৈধ থাকলে ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদে ভোট অনুষ্ঠিত হবে। ভোটগ্রহণ হবে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
সংবিধান অনুযায়ী, সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। ফলে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে বিএনপির প্রার্থী নির্বাচনে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকবেন-এমন রাজনৈতিক হিসাব রয়েছে।
এদিকে, রাষ্ট্রপতি পদে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে প্রার্থী করেছে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য জোট।