মন্ত্রী জানান, বনানী ওভারপাস থেকে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত সড়কটি সড়ক বিভাগের আওতাধীন। যানজট কমাতে এয়ারপোর্ট সংলগ্ন বলাকা ভবন, তৃতীয় টার্মিনাল ও কাওলা এলাকার সড়ক সম্প্রসারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সড়ক বিভাজক স্থাপন করা হয়েছে।
বর্তমানে তিনটি প্রধান প্রকল্পের কাজ চলমান:
মেট্রোরেল (এমআরটি) লাইন-১: ২০৩০ সালের মধ্যে এয়ারপোর্ট থেকে কুড়িল পর্যন্ত নির্মাণকাজ চলমান। চালু হলে উত্তরার যাতায়াত ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসবে।
বিআরটি প্রকল্প: ২০.৫ কিমি দীর্ঘ বাস র্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের কাজ শেষ পর্যায়ে। সড়ককে আট লেনে উন্নীত করা হচ্ছে, ৮টি ফ্লাইওভার ও ৪.৫ কিমি উড়াল সড়ক নির্মিত হয়েছে। প্রকল্পটি চালু হলে মাত্র ৩৫–৪০ মিনিটে এয়ারপোর্ট থেকে গাজীপুর যাতায়াত সম্ভব হবে।
৩৪০টি এসি বাস সংগ্রহ: বিআরটিসি’র মাধ্যমে একতলা সিএনজি এসি বাস সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উত্তরা, এয়ারপোর্ট ও খিলক্ষেত রুটে আধুনিক বাস সার্ভিস চালু হলে ব্যক্তিগত গাড়ির ওপর নির্ভরতা কমবে এবং যানজট কমবে।
সংসদে দেওয়া তথ্যানুযায়ী, এই প্রকল্পগুলো সম্পূর্ণ বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-১৮ আসনের যাতায়াত ব্যবস্থা হবে আধুনিক, সাশ্রয়ী ও সম্পূর্ণ যানজটমুক্ত।