তিনি বলেন, আসন্ন দুর্গোৎসব নিয়ে সরকার আশঙ্কায় রয়েছে। এই উৎসবকে ঘিরে ফ্যাসিস্টের দোসররা যেকোনো সময় নাশকতা সৃষ্টি করে জাতিগত ঐক্য বিনষ্ট এবং রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে। এ জন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। যেখানেই ফ্যাসিস্টদের দোসররা এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঘটাতে আসবে, সেখানেই সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের শুভাঢ্যা উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শুভাঢ্যা উচ্চ বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তনের বিষয়ে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ইতিহাস মুছে ফেলা ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ। যেকোনো ইতিহাস মুছে ফেলা লজ্জাজনক ও ঘৃণিত কাজ। ড. পিকে রায় উচ্চ বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে শুভাঢ্যা উচ্চ বিদ্যালয় নামকরণ করায় সংশ্লিষ্টদের ধিক্কার জানান তিনি।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, “আমি বর্তমান বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির কাছে অনুরোধ জানাব, তারা যেন বিদ্যালয়ের নাম পুনরায় ড. পিকে রায় উচ্চ বিদ্যালয় করেন।”
ড. পিকে রায়কে উচ্চশিক্ষিত ও গুণী ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তিনি কলকাতার একটি কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন। ব্রিটিশরা তাঁকে ভারতের শিক্ষা উপদেষ্টা নির্বাচিত করেছিলেন। এমন একজন গুণী ব্যক্তিকে অবজ্ঞা করা যায় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বিদ্যালয় পরিচালনা অ্যাডহক কমিটির সভাপতি বিমল চন্দ্র মণ্ডলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাকির হোসেন মোল্লা ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম হোসেন সোহেল।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র বিএনপি নেতা ও শুভাঢ্যা উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি আহসান উল্লাহ চৌধুরী, নফরুল ইসলাম খান আওয়াল, বিএনপি নেতা আতিকুর রহমান মানিক ও মো. আলী হোসেনসহ অনেকে।