কেপিসি জানায়, হামলার সময় ট্যাংকারটি সম্পূর্ণ তেলে বোঝাই ছিল। আঘাতে জাহাজটির ব্যাপক ক্ষতি হয় এবং এতে আগুন ধরে যায়। এর ফলে আশপাশের পানিতে তেল ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তবে এই ঘটনায় কোনো নাবিক আহত হননি; সবাই নিরাপদে আছেন।
একই দিনে এটি ছিল তেলবাহী জাহাজে দ্বিতীয় হামলার ঘটনা। এর আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপকূল থেকে প্রায় ৩১ নটিক্যাল মাইল (৫৭ কিলোমিটার) উত্তর-পশ্চিমে আরেকটি ট্যাংকারে অজ্ঞাত বস্তু আঘাত হানে। সেই ঘটনাতেও জাহাজের সব নাবিক নিরাপদে ছিলেন।
এদিকে, উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (জিসিসি)ভুক্ত দেশগুলোতে দিনজুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করে। সৌদি আরবের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে ১০টির বেশি ড্রোন ও ৯টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। এর বেশিরভাগই পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয়, যেখানে দেশটির প্রায় ৯০ শতাংশ জ্বালানি স্থাপনা অবস্থিত।
এছাড়া আল-খারজ গভর্নরেট, যেখানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ‘প্রিন্স সুলতান’ অবস্থিত, সেখানেও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চেষ্টা চালানো হয়। রাজধানী রিয়াদকেও লক্ষ্য করে অন্তত চারটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
সাম্প্রতিক এসব ঘটনায় পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা ও জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।