সভায় আইনমন্ত্রী আরো বলেন, পর্যালোচনা এইজন্য দরকার যে দেশে স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা থাকলেও সুপ্রিম কোর্ট তার সক্রিয়তা বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। তারা বিগত সরকারের সময় রাজনৈতিক কর্মীতে পরিণত হয়েছিলো।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের সরকার। ফলে জনগণ অনৈতিকতায় ভরপুর বিচার ব্যবস্থা চায় না। আমরা ইন্টে লেকচুয়াল দুর্নীতির পথ বন্ধ করতে চাই। মন্ত্রী বলেন, মানবাধিকার কমিশন, গুম কমিশন নিয়ে অনেক প্রশ্ন রয়েছে। তাছাড়া জুলাই সনদে কিছু অংশে প্রতারণার আশ্রয় নেয়া হয়েছে। ওইসব অংশ বিএনপি তার অঙ্গীকার অনুযায়ী তা বাস্তবায়ন করবে।
আইনমন্ত্রী বলেন, দেশে ফের বিভক্তির রাজনীতি চর্চার চেষ্টা চলছে। আমরা ৭১, ২৪ নিয়ে কোন বিভক্তি চাই না, বিভক্তির রাজনীতি থেকে ফিরে আসতে হবে। বাংলাদেশী চেতনায় বিশ্বাসী হতে হবে।
তিনি বলেন, ক্রসফায়ার, গুম, মিথ্যা মামলায় শুন্যের কোঠায় এসেছে। সরকার দায়িত্ব নিয়ে জনকল্যাণে কাজ করছে। এ কথাগুলো জাতির সামন তুলে ধরতে হবে। সরকারে পাশে দাঁড়াতে হবে।
আইনমন্ত্রী ঐতিহ্যবাহী যশোর কোর্টকে তার স্বরূপে ফিরিয়ে আনতে এবং বিচার বিভাগের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধিতে পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। যাতে বার কাউন্সিল থেকে আইনজীবীরা মৃত্যুর পর কোটি টাকা পেতে পারে।
সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম, যশোর-৫ আসনের এমপি অ্যাডভোকেট গাজী এনামুল হক, জেলা জজ মাহমুদা খানম, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন প্রমুখ।