তিনি বলেন, ‘মাঝেমধ্যে আমারও খুব বিরতি নিতে ইচ্ছে করে। অরিজিৎ অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ও মন থেকে একজন প্রকৃত শিল্পী গান থেকে কী উপার্জন হলো বা হলো না, সেটা ও কখনও ভাবে না। ও শুধু সেটাই করে যা ওকে মানসিক প্রশান্তি দেয়।’
অরিজিতের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শ্রেয়া আরও বলেন, ‘সংগীতের প্রতি এই যে গভীর মমতা, এটাই শ্রোতাদের সঙ্গে ওর যোগসূত্র তৈরি করে দেয়। ওর কাছে গান সবকিছুর ঊর্ধ্বে। অরিজিতের এই সিদ্ধান্ত আমাকেও ভীষণভাবে অনুপ্রাণিত করেছে।’
‘লিপ সিঙ্ক’ বা ঠোঁট মেলানোর সংস্কৃতি নিয়ে নিজের বিরক্তি প্রকাশ করেন এই শিল্পী। তিনি জানান, যে দিন তাকে বাধ্য হয়ে এমন কিছু করতে হবে, সেদিনই তিনি গান ছেড়ে দেবেন। শুধু তাই নয়, ‘চিকনি চামেলি’র মতো চটুল লিরিকের গান ভবিষ্যতে আর না গাওয়ার ব্যাপারেও নিজের অনড় অবস্থানের কথা জানান তিনি।
শ্রেয়া ও অরিজিৎ অসংখ্য সুপারহিট গানে একসঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারের ক্লান্তি আর সমসাময়িক সঙ্গীত ভাবনার পরিবর্তন থেকেই কি তবে শ্রেয়াও অরিজিতের মতো দীর্ঘ বিরতির পথে হাঁটছেন? গায়িকার সাম্প্রতিক এই মন্তব্যে এখন সেই জল্পনাই তুঙ্গে।