তিনি বলেন, “আমার এলাকায় ওয়াজ যেমন হবে, কীর্তন যেমন হবে, বাউল গানও হবে।”
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) রাতে আশুগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নে আধ্যাত্মিক সাধক আব্দুল কাদির শাহ (রহ.)-এর ৫৮তম স্মরণোৎসব ও বার্ষিক ওরস উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।
রুমিন ফারহানা অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের গত ১৮ মাসে বিভিন্ন স্থানে মাজার ভাঙচুর এবং বাউল গানের আসরে বাধা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তিনি বলেন, ঈদুল ফিতরের এক দিন পর সিলেটে একটি বাউল গানের আসরে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে।
তিনি আরও বলেন, “বাউল শিল্পীদের হেনস্তা করে জেলে দেওয়া হয়েছে—এসব আমরা দেখেছি। আমি জানি না, আর কোনো রাজনীতিবিদ প্রতিবাদ করেছেন কি না, তবে আমি প্রতিটি মাজার ভাঙার প্রতিবাদ করেছি।”
সংস্কৃতি রক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশের কৃষ্টি ও সংস্কৃতি লালন-পালন করে তা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা সবার দায়িত্ব। বাউল গান ও মাজার সংশ্লিষ্ট মানুষরা দেশের সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।