সংবাদমাধ্যম এপির তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন সেনাবাহিনীর ৮২তম এয়ারবর্ন ডিভিশনের প্রায় এক হাজার সৈন্যকে রণক্ষেত্রে পাঠানোর চূড়ান্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ডিভিশন কমান্ডার মেজর জেনারেল ব্র্যান্ডন টেগটমেয়ার নেতৃত্ব দিচ্ছেন। সঙ্গে রয়েছে ‘ইমিডিয়েট রেসপন্স ফোর্স’, যারা কয়েক ঘণ্টার নোটিশে বিশ্বের যে কোনো প্রান্তে অভিযানে সক্ষম।
সূত্রগুলো বলছে, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে কমান্ডিং স্টাফ ও প্রথম ব্যাটালিয়ন মধ্যপ্রাচ্যের পথে পাঠানো হবে। ২০২০ সালে ইরানের শীর্ষ জেনারেল কাসেম সোলেইমানি হত্যার সময়ও এই ডিভিশন মোতায়েন করা হয়েছিল।
ট্রাম্প সোমবার দাবি করেছেন, শান্তি ফেরানোর লক্ষ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র ১৫টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে একমত হয়েছে। ইরানও কিছুটা অবস্থান সরে এসে ‘টেকসই’ প্রস্তাব শোনার আগ্রহ দেখিয়েছে।
কিন্তু আলোচনার পর্দার আড়ালে চলছে বড় সামরিক মুভমেন্ট। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে ১১তম ও ৩১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিটসহ শক্তিশালী নৌবহরগুলোকে মধ্যপ্রাচ্যের উপকূলে নিয়ে আসা হচ্ছে। প্রতিটি অ্যামফিবিয়াস রেডি গ্রুপে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার অত্যন্ত প্রশিক্ষিত নৌসেনা ও মেরিন থাকছে, সঙ্গে যুদ্ধবিমান ও বিস্তৃত লজিস্টিক সাপোর্ট।
অর্থাৎ একদিকে কূটনৈতিক দরকষাকষি, অন্যদিকে কয়েক হাজার বাড়তি সৈন্য ও ভারী অস্ত্রশস্ত্রের এই সমাবেশ প্রমাণ করছে, ওয়াশিংটন শান্তির বার্তা দিলেও বাস্তবে প্রস্তুতি সম্পন্ন করছে।
সূত্র: এপি